আমরা কারা এবং কেন desh777 তৈরি হয়েছিল

বাংলাদেশে অনলাইন বিনোদনের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। মোবাইল ইন্টারনেট সস্তা হওয়ার পর থেকে লক্ষ লক্ষ মানুষ স্মার্টফোনে সময় কাটান। কিন্তু বেশিরভাগ অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্ম ইংরেজিতে, বিদেশি পেমেন্টে এবং বাংলাদেশি ব্যবহারকারীদের কথা মাথায় না রেখে তৈরি। এই শূন্যস্থান পূরণ করতেই desh777-এর যাত্রা শুরু।

আমাদের প্রতিষ্ঠাতারা নিজেরাও বাংলাদেশি। তারা বুঝতেন যে গ্রামের একজন সাধারণ মানুষ যখন অনলাইনে বেট করতে যান, তখন ইংরেজি ইন্টারফেস, বিদেশি ব্যাংক ট্রান্সফার বা জটিল নিয়মকানুন তাকে হতাশ করে। তাই desh777 তৈরি হয়েছে সম্পূর্ণ বাংলা ভাষায়, Mobile Pay-Nagad পেমেন্টে, এবং বাংলাদেশের মানুষের জীবনযাত্রার সাথে মিলিয়ে।

আমাদের যাত্রার গল্প

২০১৯ সালে একটি ছোট্ট দল নিয়ে desh777-এর প্রথম ভার্সন চালু হয়েছিল। শুরুতে মাত্র কয়েক হাজার সদস্য ছিল, কিন্তু মুখে মুখে খবর ছড়িয়ে পড়ে। মানুষ পছন্দ করল কারণ বাংলায় সব বোঝা যায়, Mobile Pay দিয়ে সহজেই টাকা দেওয়া-নেওয়া যায়, আর কাস্টমার কেয়ারে ফোন করলে বাংলায় কথা বলা যায়।

২০২০ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে desh777 দ্রুত বড় হয়েছে। মোবাইল অ্যাপ চালু হয়েছে, লাইভ ক্যাসিনো যোগ হয়েছে, লটারি বিভাগ এসেছে। প্রতিটি পদক্ষেপে আমরা ব্যবহারকারীদের মতামত নিয়েছি এবং সেই অনুযায়ী নিজেদের উন্নত করেছি। আজ desh777 বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্মগুলোর একটি।

আমরা কী বিশ্বাস করি

আমাদের বিশ্বাস হলো – বিনোদন হওয়া উচিত সহজ, নিরাপদ এবং সবার নাগালের মধ্যে। desh777 কখনো ব্যবহারকারীকে ঠকায় না, লুকানো চার্জ রাখে না, এবং পুরস্কারের টাকা সময়মতো দেয়। স্বচ্ছতা আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি।

আমরা দায়িত্বশীল গেমিংয়ে বিশ্বাস করি। বেটিং একটি বিনোদন, নেশা নয়। তাই desh777-এ ডিপোজিট লিমিট, সেলফ-এক্সক্লুশন এবং কুলিং-অফ পিরিয়ডের মতো টুলস আছে যা ব্যবহারকারীকে নিজের খরচ নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে।

নিরাপত্তার বিষয়ে desh777 কোনো আপোস করে না। এসএসএল এনক্রিপশন, টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন এবং নিয়মিত সিকিউরিটি অডিটের মাধ্যমে প্রতিটি ব্যবহারকারীর অ্যাকাউন্ট ও আর্থিক তথ্য সম্পূর্ণ সুরক্ষিত রাখা হয়। আপনার টাকা ও ব্যক্তিগত তথ্য আমাদের কাছে সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ।

ভবিষ্যতে desh777 আরও বড় হবে, আরও বেশি গেম আসবে, আরও সুবিধা যোগ হবে। কিন্তু আমাদের মূলনীতি একই থাকবে – বাংলাদেশের মানুষের কথা মাথায় রেখে, তাদের ভাষায়, তাদের পেমেন্টে।